টুনটুন (Tntn) চিলড্রেনস হাসপাতাল আপনার সন্তানের সুস্থভাবে বেড়ে ওঠার যাত্রায় সর্বদা পাশে আছে।
শিশুদের এই বিশেষ আল্ট্রাসাউন্ড কেবল চটজলদি রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসা শুরুর জন্য নয়।
বরং, এটি শিশুর উপসর্গ এবং প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষার ওপর ভিত্তি করে
অভ্যন্তরীণ অঙ্গগুলোর গঠন ও অবস্থা
নিরাপদে মূল্যায়ন করার একটি প্রক্রিয়া।
এই পরীক্ষায় কোনো ক্ষতিকর রেডিয়েশন (방সাশন) নেই। শিশুর বয়স এবং শারীরিক সমস্যার ওপর ভিত্তি করে
শুধুমাত্র নির্দিষ্ট এবং প্রয়োজনীয় অংশগুলোতেই সতর্কতার সাথে এই পরীক্ষা করা হয়।
আপনার শিশুর পরীক্ষাগুলো যেভাবে সম্পন্ন করা হয়:
শিশুর উপসর্গ, শারীরিক পরীক্ষার ফলাফল এবং পূর্ববর্তী চিকিৎসার ইতিহাস (medical history) পর্যালোচনা করে
চিকিৎসকরা সিদ্ধান্ত নেন যে আদৌ আল্ট্রাসাউন্ডের প্রয়োজন আছে কি না।
→ নিয়মিত পর্যবেক্ষণ (Observation)
→ নির্দিষ্ট অঙ্গ অনুযায়ী নির্ভুল আল্ট্রাসাউন্ড করা হয়।
শিশুর উপসর্গ ও বয়সের ওপর ভিত্তি করে
নিচের তালিকা থেকে কেবল প্রয়োজনীয় পরীক্ষাগুলোই করা হয়।
যকৃৎ (Liver), পিত্তথলি (Gallbladder), কিডনি, প্লীহা (Spleen) ইত্যাদি
পেটের ভেতরের অঙ্গগুলোর গঠন ও অবস্থা পরীক্ষা করতে:
নবজাতক ও শিশুদের হিপ জয়েন্টের বিকাশ যাচাই এবং
হিপ ডিসপ্লাসিয়া (Hip Dysplasia) বা স্থানচ্যুতি দ্রুত শনাক্ত করতে এই পরীক্ষা সহায়ক:
শিশুর নিতম্বের ঠিক ওপরে (কোমরের নিচে) গর্ত বা ডিম্পল থাকলে,
মেরুদণ্ডের নিচের অংশের গঠনে কোনো সমস্যা আছে কি না তা যাচাই করতে:
বাইরে থেকে চোখের ভেতরের অংশ পরিষ্কারভাবে দেখা না গেলে,
চোখের অভ্যন্তরীণ গঠন নিরাপদে পরীক্ষা করতে:
শিশুর উপসর্গ অনুযায়ী অভ্যন্তরীণ গঠন যাচাই করে
রোগ নির্ণয়ে সাহায্য করে
এই পরীক্ষা।
প্রয়োজনে, শিশুর অস্থিরতা কমানোর জন্য চিকিৎসকের পরামর্শে
নিরাপদ সিডেশন (Sedation) বা শান্ত করার পদ্ধতি ব্যবহার করা হতে পারে।
পেটের
হিপ
ডিম্পল
চোখের
শিশুদের আল্ট্রাসাউন্ডের ক্ষেত্রে
কেবল ইমেজিং ফলাফলের ওপর নির্ভর করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় না।
নিচের বিষয়গুলো একত্রে বিবেচনা করা হয়:
※ মনে রাখবেন: আল্ট্রাসাউন্ড কোনো রোগকে সরাসরি 'চূড়ান্ত' করার চেয়ে বরং অস্বাভাবিকতাগুলো শনাক্ত করে পরবর্তী চিকিৎসার দিকনির্দেশনা ঠিক করতে সাহায্য করে।
শিশুর উপসর্গ এবং ক্লিনিকাল লক্ষণ
আল্ট্রাসাউন্ড ইমেজিংয়ের ফলাফল
বয়স অনুযায়ী শিশুর স্বাভাবিক বিকাশের মাত্রা
ক্লিনিকাল হিস্ট্রি ও স্বাস্থ্যগত অগ্রগতি
পরীক্ষার ফলাফল শিশুর উপসর্গ এবং সামগ্রিক স্বাস্থ্য পরিস্থিতির সাথে বিবেচনা করে
পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
কোনো অস্বাভাবিকতা পাওয়া না গেলে
→ নিয়মিত পর্যবেক্ষণ (Observation)
অতিরিক্ত পর্যালোচনার প্রয়োজন হলে
→ ফলো-আপ বা আরও উন্নত পরীক্ষার পরামর্শ
চিকিৎসার প্রয়োজন হলে
→ অভিভাবকদের সাথে বিস্তারিত আলোচনার পর সঠিক চিকিৎসার পরিকল্পনা গ্রহণ
অভিভাবকদের