টুনটুন (Tntn) চিলড্রেনস হাসপাতাল আপনার সন্তানের সুস্থভাবে বেড়ে ওঠার যাত্রায় সর্বদা পাশে আছে।
শিশুর বয়স এবং শারীরিক অবস্থার ওপর ভিত্তি করে পরীক্ষার ধরন ও পদ্ধতি আলাদাভাবে নির্ধারণ করা হয়।
আপনার শিশুর পরীক্ষাগুলো যেভাবে সম্পন্ন করা হয়:
নিম্নোক্ত লক্ষণগুলো দেখা দিলে,
শিশুর মস্তিষ্কের কার্যকারিতা মূল্যায়নের প্রয়োজন আছে কি না তা আগে নির্ধারণ করা হয়:
লক্ষণ এবং প্রাথমিক পরীক্ষার ফলাফল বিশ্লেষণ করে
যদি চিকিৎসক মনে করেন, তবেই শুধুমাত্র EEG টেস্ট করা হয়।
EEG টেস্ট হলো মাথার ত্বকে ছোট ছোট সেন্সর (ইলেকট্রোড) লাগিয়ে
মস্তিষ্কের বৈদ্যুতিক কার্যকলাপ রেকর্ড করার একটি পদ্ধতি।
আমাদের হাসপাতালে মাল্টি-চ্যানেল (Multi-channel) রেকর্ডিংয়ের মাধ্যমে
মস্তিষ্কের সামগ্রিক কার্যকারিতা আরও নিখুঁতভাবে পরীক্ষা করা হয়।
পরীক্ষার ফলাফল কখনোই শুধুমাত্র একটি সংখ্যা
বা ওয়েভফর্ম দেখে নির্ধারণ করা হয় না।
ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে অনেক সময় চুপচাপ শুয়ে
পরীক্ষা করানো কঠিন হতে পারে,
তাই প্রয়োজনে ঘুমন্ত অবস্থায় এই পরীক্ষাটি সম্পন্ন করা যেতে পারে।
ঘুম পাড়ানোর সিদ্ধান্তটি শিশুর শারীরিক অবস্থা
ভালোভাবে পরীক্ষা করার পর এবং বাবা-মায়ের সাথে বিস্তারিত আলোচনার মাধ্যমেই নেওয়া হয়।
শিশুদের EEG মূল্যায়ন কখনোই কেবল একটি নির্দিষ্ট ওয়েভ
বা একক ফলাফলের ওপর নির্ভর করে না।
নিচের বিষয়গুলো একত্রে বিবেচনা করা হয়:
শিশুর লক্ষণ এবং তা প্রকাশের ধরন
ব্রেন ওয়েভ বা মস্তিষ্কের তরঙ্গের বৈশিষ্ট্য ও বিস্তৃতি
পরীক্ষার সময়কার অবস্থা (জাগ্রত/ঘুমন্ত)
শিশুর বয়স অনুযায়ী স্বাভাবিক মাত্রার সাথে তুলনা
EEG পরীক্ষার ফলাফল এবং শিশুর ক্লিনিক্যাল অবস্থার ওপর ভিত্তি করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
যদি স্পষ্ট কোনো অস্বাভাবিকতা না থাকে
→ নিয়মিত পর্যবেক্ষণ (Observation)
অতিরিক্ত পর্যালোচনার প্রয়োজন হলে
→ নিউরোলজিক্যাল পরীক্ষা বা ফলো-আপ EEG করার পরামর্শ দেওয়া হয়
চিকিৎসার প্রয়োজন হলে
→ অভিভাবকদের সাথে বিস্তারিত আলোচনার পর সঠিক চিকিৎসার পরিকল্পনা গ্রহণ
অভিভাবকদের